রোববার ভারপ্রাপ্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সালামত উল্লাহর বিচারিক আদালতে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তাকে জামিনে মুক্তির আদেশ দেন।
আশরাফুল কক্সবাজারের ঈদগড় ইউনিয়নের ছগিরাকাটা এলাকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সদস্য।
.png)
জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের প্যানেল আইনজীবী মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম মমিন বলেন, ঐ রোহিঙ্গা দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করছিলেন। গত বছরের ২৯ জুলাই সন্ধ্যায় শেরপুর শহরের মীরগঞ্জ বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তিনি আটক হন। পরদিন তাকে থানা পুলিশ ভারতীয় নাগরিক সন্দেহে পাসপোর্ট ব্যতীত অনুপ্রবেশের অভিযোগে মামলা দিয়ে হাজতে পাঠায়। পরবর্তীতে ২৮ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সদর থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম।
অন্যদিকে, কক্সবাজার ক্যাম্পে বসবাসকারী তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার স্বামীর বিষয়টি জানতে পেরে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বামীর বরাবর চিঠি পাঠান। এরপর বিষয়টি জেল কর্তৃপক্ষ জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাধারণ সম্পাদক (সিনিয়র সহকারী জজ) গোলাম মাহবুব খাঁনকে অবহিত করলে আইনগত সহায়তার দ্বার উন্মোচিত হয়।
এ সম্পর্কে শেরপুর কারাগারের জেল সুপার হুমায়ুন কবীর খান জানান, আশরাফুল আলীকে তার আইনজীবীর জিম্মায় সোমবার (২৫ মার্চ) মুক্তি দেওয়া হয়েছে।