এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপহরণের শিকার মোট সাতজনের খোঁজ মেলেনি। এদিকে, অপহরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রোহিঙ্গা ও স্থানীয় আটজন অপহরণকারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও র্যাব।
বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) ভোরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালী পাহাড়ি এলাকা থেকে সবশেষ ঐ পাঁচ কৃষককে অপহরণ করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী।
সবশেষ পাঁচ অপহৃতরা হলেন- হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালী এলাকার মোহাম্মদ শাহজাহানের ছেলে জিহান, একই এলাকার ফকির আহম্মদের ছেলে রফিক, আব্দুর রকিমের ছেলে মোহাম্মদ নুর, মৃত ছৈয়দুল্লাহর ছেলে শামীম ও নুরুল আমিনের ছেলে আব্দুর রহমান।
এদিকে, টেকনাফের হ্নীলার অপহৃত মাদরাসাছাত্র ছোয়াদ বিন আবদুল্লাহ (৬), আর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার সদর থেকে অপহৃত চকরিয়ার একটি মাদরাসার ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাশিকুল ইসলামকে এক মাস ১৭ দিনেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে টেকনাফ থানার ওসি ওসমান গণি বলেন, অপহৃত দুই মাদরাসাছাত্রকে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে পাঁচ কৃষক অপহরণের ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ অবগত। তবে তাদের পরিবারের থেকে এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তারপরও পুলিশ অপহৃতদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।