ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

কামড় খেয়েও হাল ছাড়েনি, ডাকাতকে ধরে কাঁধে করে নিয়ে এলো পুলিশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:২১, ২৩ মার্চ ২০২৪
কামড় খেয়েও হাল ছাড়েনি, ডাকাতকে ধরে কাঁধে করে নিয়ে এলো পুলিশ
ডাকাতকে ধরে কাঁধে করে নিয়ে এলো পুলিশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ছদ্মবেশে ডাকাতকে ধরে কাঁধে করে তুলে আনলেন পুলিশ সদস্যরা। ডাকাতটি এক পুলিশ সদস্যকে কামড়ে দিলেও হাল ছাড়েননি তারা।

শুক্রবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার হরিপুরের একটি জমি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত জীবন মিয়া হরিপুর এলাকার হুসন আলীর ছেলে। 

জানা যায়, জীবন মিয়া এলাকার চিহ্নিত ডাকাত। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার হরিপুর কৃষি জমিতে সেচের পাম্পে কাজ করছিলেন জীবন। এমন খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশের এসআই রূপন নাথ আরো একজন কর্মকর্তা ও তিন পুলিশ কনস্টেবলকে নিয়ে সেখানে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন জীবন তার সঙ্গীদের দিয়ে একটি জমিতে বসে ইয়াবা সেবন করছিল। এরপর পানি পানের বাহানায় ছদ্মবেশে যায় পুলিশ। অবস্থান বুঝে জীবনকে আটক করা হয়। পড়ানো হয় হাতকড়া। 

Advertisement

পুলিশ কনস্টেবল রানার হাতে কামড় দিয়ে ও ধস্তাধস্তি করে একপর্যায়ে হাতকড়া নিয়েই দৌঁড়ে পালায়। পুলিশ সদস্য ছুটে গিয়ে আবার তাকে আটক করে। এরপরও তাকে আনা যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে এএসআই মো. কামরুল তাকে কাঁধে তুলে নেন। কিছুদূর আনার পর তাকে অটোরিকশায় কড়া পুলিশ পাহারায় থানায় নিয়ে আসা হয়। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা আছে। 

এস আই রূপন নাথ জানান, পাঁচজন মিলে এ অভিযান চালানো হয়। জীবন খুবই ধূর্ত। সে পালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তাকে বাধ্য হয়ে কাঁধে তুলে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় রানা নামে এক পুলিশ আহত হওয়ার কথা জানান তিনি।

নাসিরনগর থানার ওসি মো. সোহাগ রানা জানান, জীবন ডাকাত খুবই ধূর্ত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা আছে। শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!