এ ব্যাপারে সোমবার সকালে নাঙ্গলকোট থানা হলরুমে ব্রিফিং দেন ওসি দেবাশীষ চৌধুরী।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে রোববার রাতে নাঙ্গলকোট থানায় একটি মামলা করা হয়। পরে সোমবার দুপুর ১টার দিকে তাদের কুমিল্লার আদালতে প্রেরণ করা হয়।
.png)
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বাঙ্গড্ডা গ্রামের দক্ষিণ পাড়া বোম্বাই বাড়ির সাইদ মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম (২০), গান্দাচি পূর্বপাড়া ভূঁইয়া বাড়ির স্থায়ী বাসিন্দা ও বর্তমানে পার্শ্ববর্তী উত্তর মাহিনী হাজি বাড়ির মৃত আনা মিয়ার ছেলে সফি উল্লাহ (৩২), করের ভোমরা মুন্সি বাড়ির আব্দুর রশিদের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২৭) ও নূরপুর দক্ষিণ পাড়া হাজি বাড়ির ছালেহ আহম্মদের ছেলে জিয়াউল হক জিয়া (২৭)।
ওসি দেবাশীষ চৌধুরী জানান, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বাঙ্গড্ডা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ওই গ্রামের জহিরুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর পরিবর্তনকালে হাতেনাতে জহিরুল ইসলাম ও চক্রের অপর সদস্য উত্তর মাহিনী হাজি বাড়ির মৃত আনা মিয়ার ছেলে সফি উল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের বাইক ও ১২ ইঞ্চি লম্বা একটি লোহার রেঞ্চ, একটি প্লাস, মোটরসাইকেল ইঞ্জিন ও ৯টি চেসিস নম্বর পরিবর্তনে ব্যবহারিত লোহার ডাইছ উদ্ধার করা হয়।
এ সময় গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেন, তারাসহ আরো কয়েকজন মিলে দীর্ঘদিন যাবত চোরাইকৃত মোটরসাইকেল বিভিন্ন জায়গা হতে ক্রয় করে ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর পরিবর্তন করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন এবং তাদের কাছে আরো চোরাই মোটরসাইকেল মজুত রয়েছে। পরে গ্রেফতারকৃতদের সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় চক্রের অন্য দুই সদস্য করের ভোমরা গ্রামের শাহাদাত হোসেনকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বাইক ও নুরপুর দক্ষিণ পাড়ার জিয়াউল হক জিয়াকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বাইক এবং ২ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ২টি বাইকসহ গ্রেফতার করা হয়।