আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র ব্যবহার করেই ঢাকা শহর বায়ু দূষণমুক্ত করা সম্ভব। এই যন্ত্রটি একশত ভাগ পরিবেশ বান্ধব। তার প্রতিটি আবিষ্কার উত্তরাঞ্চল তথা দেশ বিদেশে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।
যন্ত্রবিজ্ঞানী মো. আমির হোসেন বলেন, নতুন বায়ু দূষণ যন্ত্র ব্যবহারে বাতাসে চলমান ধূলিবালিসহ বিভিন্ন দূষিত জীবাণু ভরা আর থাকবে না। বায়ু যন্ত্রে ক্যাপচার করে বিশুদ্ধ বায়ু প্রবাহিত হবে। এতে করে পরিবেশ দূষণ মুক্ত হবে।
.png)
তিনি বলেন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কার্বন পরিশ্রত বায়ু দূষণ রোধকারী যন্ত্রটি গাছের মতোই কাজ করবে। মেশিনটি বাতাস থেকে প্রতি বছরে ৫০০ টন থেকে ৯০০ টন কার্বন ডাই অক্সাইড বের করে নেবে। ফিল্টার মেশিনের মাধ্যমে ফিল্টার করে দূষণ বায়ু ও কার্বন চুষে নিয়ে বিশুদ্ধ বায়ু বের করে দেবে। তখন কার্বন ও বায়ু দূষণমুক্ত হবে। একটি গাছ বছরে চুষে নিতে পারে মাত্র ৫০ কিলো গ্রাম কার্বন। তার মানে একই পরিমাণ কার্বন বের করে আনতে গাছের চেয়ে যন্ত্র মেশিনটি ১ হাজার গুণ বেশি দক্ষ প্রতিটি যন্ত্র।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরে প্রতিটি বিল্ডিং প্রতিটি বাসা বাড়ির ছাদে, অফিস, আদালত, স্কুল, কলেজ, হাট বাজার, যে সব জমিতে কৃষি কাজ হয় না এ জমি কিংবা টিলা জাতীয় ও জমির ওপরে এই প্ল্যান্ট বসানো যাবে। অব্যবহৃত কার্বন মাটির নিচে পুঁতে রাখতে হবে। এই পদ্ধতিতে কাজ করলে ঢাকা শহরকে বায়ু দূষণ মুক্ত করা সম্ভব।
আমির হোসেন বলেন, এ যন্ত্রটি বয়োবৃদ্ধ শিশু অ্যাজমা রোগীসহ অসুস্থ মানুষদের খুব উপকার হবে। আমরা সরাসরি বাতাস থেকে শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ে থাকি। এর মধ্যে বিভিন্ন জীবাণু দিয়ে ভরাভারী বাতাসে শ্বাস প্রশ্বাসের সরাসরি নিয়ে চলি সবাই কিন্তু আমরা কেউ বুঝতে পারছি না এতে কতটুকু ফুসফুসের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এতে বিভিন্ন নতুন নতুন ফুসফুস জনিত রোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি হার্টের ও সমস্যা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এ যন্ত্রটি চলমান বিষাক্ত দূষিত বায়ু ক্যাপচার করে রিফাইনিং করে বিশুদ্ধ বাতাস হালকা হয়ে প্রবাহিত করবে। যাবে মানুষ জাতির ফুসফুসের সুস্থতা বাড়বে ও শরীর সুস্থ থাকবে দীর্ঘদিন চলার সুযোগ পাবে মানুষজাতি। বাসাবাড়ি অফিস আদালত ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের এক কোণায় ফ্যানের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এতে ২টি উপকার হবে প্রথমত বিশুদ্ধ বাতাস প্রবাহিত হবে, যাতে স্বাস্থ্যের ওপর ঝুঁকি কমবে। আর একটি গরম আবহাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। এ যন্ত্রটি আগামীতে সবার জীবন রক্ষার সঙ্গী হবে।
বগুড়ার যন্ত্র বিজ্ঞানী আমির হোসেন জ্বালানী বিহীন গাড়ি, মোশনটাইম মেশিন, বজ্রপাত থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কলাকৌশলসহ ২৫টি মেশিনের উদ্ভাবক। আমির হোসেন তার গবেষণায় এমন এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন যা পৃথিবী জুড়ে চমক সৃষ্টি করছে। তার উদ্ভাবিত নতুন এ প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশে বিদ্যুৎ সমস্যার সাফল্য আনতে পারবেন বলে তিনি দাবি করেন।