সোমবার দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মাটিখেকোরা অনেকে পালিয়ে যান। যাদের হাতেনাতে ধরা হয়েছে তাদের তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতে আর্থিক জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, অভিযানে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের খুরশিদ আলমের ছেলে বিসমিল্লাহ পোল্ট্রির মালিক মিলন হোসেনকে ১০ হাজার টাকা, জহিরুল হকের ছেলে একরাম এগ্রো ফার্মের মালিক একরামুল হককে ২০ হাজার টাকা, এনামুল হকের ছেলে বিসমিল্লাহ পোল্ট্রির মালিক কামরুল হাসানকে ১০ হাজার টাকা, আবদুল গফুরের ছেলে মিহির পোল্ট্রির মালিক শহীদুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা, সফরপুর গ্রামের সাঈদুল হকের ছেলে ইমন পোল্ট্রির মালিক জাহিদুল আলমকে ১০ হাজার টাকা ও চরকৃষ্ণজয় গ্রামের বজল রহমানের ছেলে মাটি ব্যবসায়ী জামশেদ আলমকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
.png)
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং তা অব্যাহত থাকবে। কোনো অবস্থাতেই মাটি খেকোদের ছাড় দেবো না। কৃষিকে বাঁচানোর স্বার্থে কৃষি জমির মাটি সংরক্ষণ ও ইট প্রস্তুত আইনে ছয়জনকে জরিমানা করা হয়েছে।
এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নেবু লাল দত্ত উপস্থিত ছিলেন।