দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সোনাগাজীর চর দরবেশ ইউনিয়নের দক্ষিণ চর সাহাভিকারী এলাকার নুর আলমের ছেলে মিজানুর রহমান ফরিদ (৩৩), একই এলাকার আবু তাহেরের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (৩৫), আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুস শুক্কুর (৩০), মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে জয়নাল আবেদীন হেলাল (৫০), লিয়াকত আলীর ছেলে রফিক (৩৪)।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মাঝে ফরিদ ও হেলালকে দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারায় ৩ বছরের জেল ও ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৪০২ ধারায় ৩ বছরের জেল ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জসিম, রফিক ও শুক্কুরকে ৩৯৯ ধারায় ২ বছরের জেল ও ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৪০২ ধারায় ২ বছরের জেল ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
.png)
জানা যায়, ২০১৫ সালের ৭ জুলাই দিবাগত গভীর রাতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সোনাগাজী উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরসাহবিখারী এলাকায় স্থানীয় মিজানুর রহমান ফরিদকে একটি চাপাতিসহ গ্রেফতার করা হয়। পরদিন এ ঘটনায় সোনাগাজী মডেল থানায় এসআই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে এসআই মো. শাহ আলম মিয়া এজহারে থাকা ১১ জনসহ আরো ৩ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরে মামলার অভিযোগ গঠন করা হয়।
আদালতের এপিপি মো. নুরুল ইসলাম মজুমদার সোহাগ বলেন, এ মামলায় ৪ আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৫ জনের নামে সাজা ঘোষণা ও বাকি ৯ জনকে খালাস দেন। আসামিরা জামিনে মুক্তি নেয়ার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।