বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা ট্রেনের ইঞ্জিনের হুকে আটকে ছিল মরদেহটি। পরে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
আটকে থাকা মরদেহটি নরসিংদীর রায়পুরার হাসনাবাদ উত্তর পুর এলাকার মৃত কফিল উদ্দিন মীরের ছেলে আব্দুল বারিকের।
.png)
ভৈরব রেলওয়ে থানার এসআই কার্তিক চন্দ্র রায় জানান, নিহত আব্দুল বারিক আমিরগঞ্জ স্টেশন এলাকার পানের দোকান করতেন। প্রতিদিনের মতো তিনি দোকানে যেতে রেললাইন পারাপার হওয়ার সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা ট্রেনটিতে ধাক্কা লেগে ইঞ্জিনের হুকে আটকে যান। ট্রেনটি ভৈরবে পৌঁছালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, নিহত আব্দুল বারিক কানে কম শুনতেন। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।