নিহতরা হলেন, কুমারখালী উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের রহমত হোসেনের স্ত্রী সালমা খাতুন (৩৫) এবং তার ১১ বছরের ছেলে সন্তান স্মরন হোসেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রহমত আলী নামে এক ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার স্ত্রী ও সন্তানকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
.png)
আহত রহমত আলীর বন্ধু শফি উদ্দিন জানান, রহমত স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে কুষ্টিয়া শহরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। শহরের বাসা থেকে সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলযোগে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পথে ড্রাম ট্রাক ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল হোসেন জানান, একটি ড্রাম ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় ও পথচারীরা তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মা ও ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বাধবাজার পুলিশ ক্যাম্পের আইসি এমদাদুল হক জানান, কুমারখালী উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের রহমত হোসেন তার স্ত্রী এবং সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে কুষ্টিয়া থেকে গ্রামের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেলটি বাধবাজার জোড়াপুকুর নামক স্থানে পৌঁছলে বালুবোঝাই একটি বেপরোয়া গতির ড্রাম ট্রাক চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় সালমা এবং তার ছেলে স্মরন ছিটকে ট্রাকের পিছনের চাকার নিচে চলে যান। এতে ঘটনাস্থলেই সালমা এবং তার ছেলে স্মরনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক রহমত আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। আহত রহমতকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কুমারখালী থানার ওসি আকিবুল ইসলাম জানান, রাতের অন্ধকারে ট্রাকটি মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটিকে শনাক্ত করে তাকে আটকের জন্য কাজ করছে পুলিশ।