এছাড়া আসামির সম্পত্তি থেকে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেয়া সন্তানের ভরণ-পোষণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ধর্ষণের শিকার সেই ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধীর গর্ভে জন্ম নেয়া ছেলের বয়স এখন ১৭ বছর।
বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
.png)
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মো. মুক্তার হোসেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী ২০ বছরের মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণ করেন সোনাউল্যাহ। কিন্তু ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিষয়টি সামনে আসেনি। এরপর মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি সবার নজরে আসে। এরপর ভুক্তভোগীর বাবা আদালতে মামলার আবেদন দিলে আদালত কাজিপুর পুলিশকে মামলাটি (এফআইআর) এজাহার হিসেবে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ মামলাটি নিয়ে তদন্ত করে আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
এর মধ্যেই সেই প্রতিবন্ধী নারী একটি ছেলের জন্ম দেন। এভাবেই মামলাটি চলতে থাকে। মাঝখানে বাদী-বিবাদী হয়তো মীমাংসা করে নেন। আদালতের বর্তমান বিচারক দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি অভিযুক্ত ও ধর্ষণের ফলে জন্ম নেয়া ছেলের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।
এর মধ্যে তাদের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট আসলে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তাদের ডিএনএ ম্যাচ করে। এরপর ডাক্তারের সাক্ষ্য নেয়া হলে তিনিও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তখন সব সাক্ষ্য ও সাক্ষীর বক্তব্য পর্যালোচনা করে অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় আদালত আজ এ রায় দেন।