নিহত নজরুল ইসলাম নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চর নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত শফেদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে।
নিহতের স্ত্রী আসমা আক্তার জানান, তার স্বামী নজরুল ইসলাম রূপগঞ্জের ভূলতা গাউছিয়া এলাকায় ব্যবসায়ের কাজে যাচ্ছিলেন। পথে জামপুর ইউনিয়নের মাঝের চর বাসস্ট্যান্ডে গাউছিয়া যাওয়ার জন্য অটোরিকশায় ওঠেন। দীর্ঘ সময় কোনো যাত্রী না ওঠার কারণে তিনি অটোরিকশা থেকে নেমে বিকল্প পথে যাওয়ার চেষ্টা করেন। অটোরিকশা থেকে নেমে যাওয়ার সময় অটোরিকশার লাইনম্যান জাকির হোসেন ও অটোচালকের সঙ্গে তর্কবিতর্ক ও ধ্বস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে লাইনম্যান জাকির ও দাইয়ানের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।
.png)
এ সময় জাকির ও দাইয়ানের সঙ্গে স্ট্যান্ডের অন্যান্য অটোচালকরা তাকে কিল-ঘুষি মারেন। তাদের পিটুনিতে ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে আড়াইহাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে সংসার আসমা আক্তারের। স্বামীর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তিনি।
নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুল আলম সামসু বলেন, এমন মৃত্যু মেনে নেয়া কঠিন। তুচ্ছ ঘটনায় এমনটি হওয়া উচিত নয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
তালতলা ফাঁড়ির এসআই মুজিবুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টির তদন্ত চলছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
তালতলা ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।