নিহত রিপন মল্লিক কৃষ্ণকাঠি এলাকার মৃত আবদুল মল্লিকের ছেলে।
আটক শিরিন আক্তার কৃষ্ণকাঠি এলাকার সৌদিপ্রবাসী কামাল হোসেনের স্ত্রী। পুলিশ তার ঘর থেকে রিপনের রক্তাক্ত মরদেহটি উদ্ধার করে। রিপন মল্লিকের সঙ্গে শিরিন আক্তারের পরকীয়া প্রেম ছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
.png)
পুলিশ, নিহতের স্বজন এবং স্থানীয়রা জানায়, কৃষ্ণকাঠি মল্লিক বাড়ির বাসিন্দা রিপন মল্লিক প্রায়ই সৌদিপ্রবাসী কামালের স্ত্রী শিরিন আক্তারের ঘরে আসা-যাওয়া করতেন। শিরিনের ছেলে ইমন হোসেন চারদিন আগে ঢাকায় চলে যান। শিরিন ঘটনার দিন তার ঘরে একা ছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিরিন তার ঘরে থেকে চিৎকার শুরু করেন। এ সময় আশপাশের মানুষ শিরিনের ঘরে গিয়ে রিপন মল্লিককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক রিপন মল্লিককে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রিপনের ছোট ভাই সমীর মল্লিক বলেন, আমাকে স্থানীয়রা ফোন করে জানান, আমার ভাইকে মেরে মাথা ফাটিয়েছেন। পরে শিরিনের ঘরে এসে দেখি মেঝেতে রক্ত লেগে আছে। আর আমার ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। তখন শিরিন তার ঘরেই বসে ছিলেন।
শিরিন আক্তারের বোনের ছেলে লিয়ন হোসেন বলেন, আমার খালা ও খালু রিপন মল্লিকের কাছ থেকে জমি কিনেছেন। সেই সুবাদে রিপন মল্লিক আমার খালার বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। রিপন মল্লিকের সঙ্গে তার ভাই সমীর মল্লিকের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। তবে ঘটনার দিন কেন রিপন মল্লিক খালার ঘরে এসেছিলেন, তা আমাদের জানা নেই।
ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিতুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল শেষে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি হত্যাকাণ্ড। শিরিন আক্তারের সঙ্গে রিপন মল্লিকের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে তথ্য পেয়েছি। আমরা শিরিনকে আটক করেছি। রিপন মল্লিকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।