রুই, কাতলা, মৃগেল, সিলভার ও পাঙ্গাস ১৮০ টাকা থেকে শুরু করে ৫৫০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। এছাড়া গরুর মাংস ৬৫০ টাকা এবং মহিষের মাংস ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।
দিনব্যাপী এ গ্রামীণ মেলায় শতাধিক দোকানে ১০ লাখ টাকার বেচাকেনার আশা রয়েছে। দিনব্যাপী মেলা সকাল থেকে শুরু হলেও দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের সমাগম বাড়ে।
.png)
মেলায় মাটির খেলনা নিয়ে এসেছেন শবনাথ মোহন্ত। তিনি বলেন, মেলায় ২০০টি খেলনা-পুতুল, পাখি, ঘোড়াসহ অন্যান্য খেলনা নিয়ে আসা হয়েছে। প্রতিটি খেলনা ১০ টাকা থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। ২০০টি খেলনার সবগুলো প্রায় বিক্রি হয়ে গেছে।
মেলায় চুন বিক্রির জন্য এসেছেন রনজিত। তিনি বলেন, ৪ মণ চুন বিক্রির জন্য আসা হয়। প্রতিকেজি চুন বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজিতে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেড় মণ চুন বিক্রি হয়েছে। এ মেলায় গত ১৫ বছর থেকে চুন বিক্রি করা হচ্ছে।
মিষ্টান্ন দোকানি রশিদুল ইসলাম বলেন, মেলায় আমরা ৫টি দোকান দিয়েছি। প্রতিকেজি জিলাপি ১২০ টাকা। এছাড়া রসের মিষ্টি, লাড্ডুসহ অন্যান্য মিষ্টি রয়েছে। ৫টি দোকানে মিষ্টান্ন রয়েছে প্রায় লাখ টাকা। গত বছর দোকানে খুব ভিড় ছিল। এ বছর ভিড় কম। বেচাকেনা কম হচ্ছে। তারপরও আশা করা যায় সব মালামাল বিক্রি হবে।