শিশুটির মা জানান, তিনি সোমবার রাত ৮টার দিকে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে তার মেয়েকে নিয়ে পিঠা বানাতে যান। এ সময় তার মেয়েকে দোতলার ছাদে নিয়ে যান কলেজছাত্র নাহিদ হাওলাদার (২০)। তখন দোতলার রুমে বিকট শব্দে গান বাজতেছিল। কিছুক্ষণ পর মেয়েকে না পেয়ে খুঁজতে থাকলে, ছাদে মেয়ের কান্নার শব্দ পান তিনি। পরে নাহিদের কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন তিনি।
তিনি জানান, তার মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন নাহিদ। তার অভিযোগ নাহিদের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের থানায় অভিযোগ দিতে দেননি। পরে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসক শিশুটিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
.png)
শিশুটির খালা বলেন, নাহিদ আমার ভাগনির সঙ্গে খারাপ কাজ করেছে। ভাগনি হাসপাতালে ভর্তি। নাহিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যেন এমন ঘটনা আর কারো সঙ্গে না ঘটে।
তবে, নাহিদ ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদের পাওয়া যায়নি।
সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রোকসানা বিনতে আকবর জানান, পরিবারের লোকজন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। তাদের অভিযোগ শিশুটিকে নির্যাতনের চেষ্টা করা হয়েছে। তাই আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দিয়েছি, এখন কিছু বলা যাচ্ছে না। রিপোর্ট পেলে বলা যাবে শিশুটির সঙ্গে কী হয়েছিল।
গোসাইরহাট থানার ওসি পুষ্পেন দেবনাথ বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি।