আগুনের তীব্রতায় গোডাউনের পাশে ঢাকা-সাগরদীঘি সড়কে প্রায় দুই ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুনে অন্তত দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ব্যবসায়ী শওকত হোসেন দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার কচুয়া বাজারের একটি দোকানে পেট্রোল-কেরোসিন, মবিল, ব্যাটারি ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছেন। ওই বাজারেই তার বাসাবাড়িতে তেল বহনের দুটি লরি ট্রাক ও ড্রামে করে তেল মজুত করে রাখেন। সোমবার সকালে হঠাৎ ওই বাড়িতে আগুন লেগে যায়। এ সময় বাড়ির লোকজন দৌড়ে বাইরে চলে আসে। আগুন লেগে তেলের ২০-২৫টি ড্রাম বিস্ফোরিত হয়। এ সময় পুরো বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পাশের একটি বাড়ির আংশিক পুড়ে যায়। পরে সখীপুর, বাসাইল, টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
.png)
প্রত্যক্ষদর্শী হায়দার আল মামুন জানান, দুটি লরি ট্রাক ও তেল ভর্তি দেড় শতাধিক ড্রামসহ মবিল, ব্যাটারি পুড়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অন্তত দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সখীপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার বোরহান উদ্দিন বলেন, ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি, এগুলো তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।
টাঙ্গাইল জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, তেল ও মবিলভর্তি শতাধিক ড্রাম ও চার হাজার লিটার তেলভর্তি দুটি ট্রাক, দুটি মোটরসাইকেল এবং গোডাউন পুড়ে গেছে। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট কিংবা শ্রমিকদের বিড়ি-সিগারেটের ফেলে দেওয়া আগুন থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।