শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঐ জেলেরা ঘাটে ফেরেন। এর আগে, মৎস্য শিকারে গিয়ে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি’র কবলে পড়ে গত ১৭ নভেম্বর সমুদ্রতীর থেকে ২৬ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ডুবে যায় এফবি রহমতউল্লাহ নামে একটি মাছ ধরা ট্রলার। এ সময় নিমজ্জিত ট্রলারটিতে থাকা সাত জেলে জীবন রক্ষায় বাঁশের সঙ্গে দড়ি বেঁধে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ছিলেন।
তবে চারদিন ভাসমান থাকার পর ভোলার এফবি আরাফাত নামে একটি মৎস্য ট্রলারের মাঝি বশু মিয়া তাদের উদ্ধার করেন। পরে সাত জেলে আবু সালেহ, আবদুর রহমান, তানমুন, তামিম, রাজিব, সালাম ও হৃদয়কে মহিপুর ঘাটে নিয়ে আসেন ভোলার জেলেরা। উদ্ধার হওয়া জেলেদের বাড়ি কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। এরমধ্যে মাঝি তানমুন ও জেলে আবদুর রহমান অসুস্থ থাকায় তাদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
.png)
এছাড়া বাকি জেলেরা সুস্থ রয়েছেন বলে জানান ডুবে যাওয়া ট্রলার মালিক রহমতউল্লাহ। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের খবর পেয়ে ট্রলার নিয়ে ঘাটে ফিরছিল মাঝিসহ সাত জেলে। তবে উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে সমুদ্রের অভ্যন্তরে পাইপ বয়া এলাকায় আমার ট্রলারটি ডুবে যায়। কিন্তু জেলেরা বাঁশের সঙ্গে কন্টেইনার বেঁধে চারদিন ভেসে ছিলেন। পরে ভোলার একটি ট্রলারের জেলেরা তাদের উদ্ধার করে। তারাই শুক্রবার সাত জেলেকে ঘাটে নিয়ে এসেছেন। তবে ট্রলারটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ভোলার এফবি আরাফাত ট্রলারের মাঝি বশু বলেন, সাগরের মধ্যে বাঁশে বাঁধা ভাসমান অবস্থায় আমরা সাতজনকে উদ্ধার করি। তারা অক্ষত অবস্থায় ছিলেন। তবে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে নিখোঁজ থাকা সব জেলেই এখন উদ্ধার হয়েছে। মৎস্য বিভাগ থেকে আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।