কোনাবাড়ী থানার ওসি খান মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন মামলার সত্যতা স্বীকার করেছেন। মামলায় কারখানায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগেও শ্রমিক অসন্তোষ, যানবাহন পুলিশের গাড়িসহ কারখানায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ঘটনায় কোনাবাড়ী থানায় এ যাবত ৯টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১৫ হাজারের বেশি আসামির মধ্যে ১১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার পর থেকে বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মধ্যে গ্রেফতার আতঙ্ক বিরাজ করছে।
.png)
উল্লেখ্য, গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ি এলাকায় তুসুকা গ্রুপের তুসুকা জিন্স লিমিটেড, তুসুকা টাউজার্স লিমিটেড, তুসুকা প্রসেসিং লিমিটেড, তুসুকা প্যাকেজিং লিমিটেড এবং নিডেল আর্টএমব্রয়াডারি লিমিটেড কারখানায় গত বৃহস্পতিবার শ্রমিক আন্দোলনের ঘটনায় বহিরাগত শ্রমিকরা ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে।
ওইদিনের ঘটনায় হামলাকারীরা ডিজিটাল ডিসপ্লে মেশিন ও নগদ ৫৩ লাখ টাকাসহ সাড়ে ৫ কোটি টাকা মূল্যের ক্ষতি সাধন করেছে। এরপর বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ওই কারখানা একদিন বন্ধ রাখলে শুধু তাদের ওয়ার্কার প্রেমেন্টই দিতে হবে ১ কোটি টাকা।