বুধবার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও সিনিয়র জেলা জজ মো. মশিউর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ছগির ফরাজি পাথরঘাটা উপজেলার ছোট টেংরা গ্রামের সেকান্দার ফরাজির ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি অনুপস্থিত ছিলেন। ঘটনার সময় ভিকটিম দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
.png)
মামলা সূত্রে জানা যায়, স্কুলে যাতায়াতের সময় ঐ ছাত্রীকে দেখে মুগ্ধ হয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন ছগির ফরাজি। এতে রাজি না হওয়ায় ২০০৮ সালের ৮ জুলাই বিকেলে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঐ ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন ছগির। এরপর সুযোগ পেলেই আসামি ভিকটিমকে ধর্ষণ করতেন। কিছুদিন পর বিয়ের কথা বললে ছগির রাজি হননি।
ভিকটিমের মা জানতে পেরে আসামির বাড়িতে গিয়ে তার মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। তাতেও ছগির বিয়ে করতে রাজি হননি। পরে ভিকটিম বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ঐ বছরের ৩ সেপ্টেম্বর দণ্ডিত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। ৩০ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। আজ সাক্ষ্যপ্রমাণ এ রায় দেন আদালত।