চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মাসুদ আলী সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ মোমিন চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে এবং কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, একই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে পারভেজ আহম্মেদ (২৮) ও জামাত আলীর ছেলে আশরাফুজ্জামান রিজন (৩০)। আসামি পারভেজ আহম্মেদ পলাতক রয়েছেন।
.png)
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের আব্দুল বারেকের একমাত্র ছেলে ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আবু হুরায়রা (১১) ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি বিকেলে বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে বেরিয়ে নিখোঁজ হন। কয়েকদিন খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ২৫ জানুয়ারি আব্দুল বারেক বাদী হয়ে প্রাইভেট শিক্ষক রনজু হোসেনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে অভিযান চালিয়ে মোমিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ২টার দিকে তালতলা নামক কবরস্থানের একটি পুরাতন কবর থেকে শিশু আবু হুরায়রার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলাটি গভীর তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৪ আগস্ট মোহাম্মদ মোমিন, পারভেজ আহম্মেদ ও আশরাফুজ্জামান রিজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক মিজানুর রহমান।
সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন জানান, ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার দুপুরে এ রায় দেন বিচারক। তাদের মধ্যে আসামি পারভেজ আহম্মেদ পলাতক রয়েছেন। তাকে দ্রুত গ্রেফতারে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।