গ্রেফতার আব্দুল আউয়াল (৫১) পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার বাশবুনিয়া এলাকার মৃত হাতেম আলীর ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর সদর মেট্রো থানাধীন বাঙ্গালগাছ এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন এবং বাঙ্গালগাছ বাঁশবাজার এলাকায় পানের দোকানদারি করতেন।
নিহতরা হলেন- শফিকুল ইসলাম (২৫) ও শুক্কুর আলী (২২)। তারা ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার মহেষকুড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। গাজীপুর মহানগরীর সদর মেট্রো থানাধীন ভুরুলিয়া এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া থাকতেন তারা।
.png)
মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-১ এর স্পেশালাইজড পোড়াবাড়ী ক্যাম্প কোম্পানি কমান্ডার মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন।
তিনি জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শফিকুল ইসলাম ও শুক্কুর আলীসহ মোট চারজন একটি অটোরিকশা নিয়ে গাজীপুর সদরের বাঙ্গালগাছ বাঁশবাজার এলাকায় এসে কিছু না বলে বিল্লাল ও রাসেলের দোকান ভাঙচুর করে তাদের দোকানের সিসি ক্যামরার যন্ত্রপাতি সঙ্গে নিয়ে যান। তারপর জুলহাসের গাড়ি ওয়াশিং পয়েন্টের দোকানে গিয়ে জুলহাস ও মমিনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। হাতাহাতির একপর্যায়ে আসামি আউয়ালসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিম শফিকুল ও শুক্কুর আলীকে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের অভিযুক্ত করে গাজীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাবের এই কর্মকর্তা আরো জানান, ভিকটিম দুই ভাই এর আগেও গ্রেফতার আসামি আউয়াল দোকান থেকে ৫ হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে যান। ঘটনার দিন সহোদর ঐ এলাকায় চাঁদাবাজি করতে গিয়ে হত্যার স্বীকার হয় ধারণা করে র্যাব।
তিনি জানান, আউয়াল গাজীপুরের শিমুলতলী এলাকায় আত্মগোপনে আছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় একটি বাটনযুক্ত মোবাইল ফোন ও নগদ এক হাজার ১৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সহোদর হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা জন্য জেলার সদর থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।