মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে শুরু হওয়া ধমকা হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাত রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদতফরের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ বিকেলে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ২৮৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ২৫০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৩৫ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৮০ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির মূল অংশ আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা নাগাদ উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে। যার কারণে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
.png)
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ইমাম উদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করে। এটি এখন কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। কিন্তু এখন বৃষ্টির মাত্রা বেড়েছে। বেড়েছে বাতাসের গতিবেগও।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান জানিয়েছেন, জেলার ৯টি উপজেলায় ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যেখানে অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে এসেছেন।