সোমবার বিকেল ৩টার দিকে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ম আদালতের বিচারক সাবিনা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জ্যাইল্যা গ্রামের শাহীনুর রহমান, একই উপজেলার দাসেরহাটি এলাকার লিটন, রিপন এবং দক্ষিণ চারিগ্রাম এলাকার উজ্জ্বল।
তাদের মধ্যে আসামি শাহীনুর ও লিটন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রিপন ও উজ্জ্বল দীর্ঘদিন পলাতক রয়েছেন।
.png)
একই মামলার আসামি শহীদুল ইসলামের কাছ থেকে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং তা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন আদালতের বিচারক।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পিপি মথুর নাথ সরকার।
জানা যায়, ২০০৫ সালের ২ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় উপজেলার দাসেরহাটি এলাকায় খুন হন আলম হোসেন। সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম এলাকার মালু বেপারীর ছেলে আলম হোসেন চারিগ্রাম বাজারের টেইলার্স ব্যবসায়ী ছিলেন। খুন হওয়ার পর আলমের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যান আসামিরা।
ঘটনার পরের দিন ভোরে ব্রিজের পাশে আলমের লাশ দেখে বাড়িতে খবর দেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন সিংগাইর ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান দেওয়ান মাজহারুল হক।
এরপর যশোরের ঝিকরগাছা থেকে আসামি শহিদুল ইসলামের নিকট হয়ে ভুক্তভোগী আলমের মোটরসাইকেল উদ্ধার করে সিংগাইর থানা পুলিশ। এরপর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক এক করে গ্রেফতার হন মামলার সব আসামি। আলম হোসেনের মোটরসাইকেল চুরির পরিকল্পনা থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে আদালতে জবানবন্দি দেন আসামিরা।
২০০৬ সালের ৩১ আগস্ট পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন সিংগাইর থানার তৎকালীন এসআই মো. আইয়ুব খান। বিচারক সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে এ মামলার এ রায় ঘোষণা করেন।