এ নিয়ে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ শিশু। তারা হলো, গজারিয়া উপজেলার দক্ষিণ ফুলদি গ্রামের মফিজুলের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস সাফা (৩) ও রংপুরের কমাছপাড়া গ্রামের সাব্বিরের ছেলে ইমাদ (৭)।
শনিবার সকালে জেলা সদরের রমজানবেগ এলাকা সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে মফিজুলের স্ত্রী নিখোঁজ সুমনা আক্তারের (২৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ট্রলারডুবিতে বিআইডব্লিউটিএ, নৌ-বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড ও কলাগাছিয়া নৌ-পুলিশ উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।
.png)
বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের উপ-পরিচালক ওবায়দুল করিম জানান, রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলার গজারিয়া লঞ্চঘাটের অদূরে মেঘনাবক্ষে শিশু জান্নাতুল মাওয়ার মরদেহ ভেসে উঠলে তা উদ্ধার করা হয়।
এরআগে, সকাল ১০টার দিকে চাঁদপুরের মতলব উপজেলার ষাটনল লঞ্চঘাটের মেঘনা নদীতে ভাসমান অবস্থায় সাব্বিরের মরদেহ ও সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদরের চরকেওয়ার ইউনিয়নের চরঝাপটা গ্রাম সংলগ্ন মেঘনাবক্ষে ভেসে উঠা শিশু মারোয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশু মারোয়া জেলার গজারিয়া উপজেলার দক্ষিণ ফুলদি গ্রামের বোরহান উদ্দিনের মেয়ে। উদ্ধার সাব্বিরের বাড়ি রংপুরের কমাছপাড়া গ্রামে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার ছুটির দিনে স্বজনরা মিলে গজারিয়া থেকে মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জের সীমান্তবর্তী চরকিশোরগঞ্জে ট্রলারযোগে ঘুরতে যান ১২ আত্মীয়। ঘোরাঘুরি শেষে সন্ধ্যায় ফেরার পথে গজারিয়া লঞ্চঘাটের অদূরে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ট্রলার ডুবে যায়। তাৎক্ষণিক ৬ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও নিখোঁজ হন ৬ জন।