বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি জানান, গ্রেফতারের সময় বাবুলের কাছ থেকে ৫৫ হাজার ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
.png)
র্যাব জানায়, বাবুলের হাত ধরে প্রতি মাসে ৪০- ৫০ লাখ ইয়াবা দেশে প্রবেশ করে। বাবুল রোহিঙ্গা শীর্ষ সন্ত্রাসী নবী হোসেনের সঙ্গে চুক্তি করে চিংড়ি ব্যবসার আড়ালে মাদক, অস্ত্র ও সোনা চোরাচালান করে আসছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেফতার বাবুল মাদক ব্যবসাসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে রোহিঙ্গাসহ স্থানীয় ২০-২৫ জনের একটি চক্র গড়ে তোলেন। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি তিনি এলাকায় চাঁদাবাজি, সোনা ও অস্ত্র চোরাচালান, বালু উত্তোলন, চোরাই পথে গবাদি পশু চোরাচালান, পাহাড় কেটে মাটির ব্যবসাসহ অন্যান্য অবৈধ কাজে লিপ্ত ছিলেন।
র্যাব জানায়, বাবুলের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে টেকনাফ থানায় একটি মাদক মামলা হয়। ২০১৭ সালে জাবু হত্যা মামলায় প্রায় ২ মাস কারাভোগ করে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন। চোরাচালানসহ অন্যান্য অপরাধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কক্সবাজারে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, ট্রাক, জমি এবং মাছের ঘেরসহ প্রায় ৫০ কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলেন। তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারের উখিয়া থানায় হত্যা, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৯টির বেশি মামলা রয়েছে।