মঙ্গলবার বরিশালের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কেএম রাশেদুজ্জামান রাজা এ রায় দেন। রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় তিনজনই এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম। দণ্ডিতরা হলেন- গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার বেদগ্রামের তামিম শেখ ও কোটালীপাড়া উপজেলার বেপারীপাড়ার রুবেল শেখ। খালাস পাওয়া জুলহাস শেখ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বেদগ্রামের বাসিন্দা।
.png)
মামলা সূত্রে জানা যায়, দুই সন্তানের জননী আগৈলঝাড়ার নগরবাড়ী এলাকার মৃত করিম শাহের কন্যা রাশিদা বেগমের প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। এরপর এক সন্তানের জনক তামিম শেখের সঙ্গে রাশিদার পরিচয় ও প্রেম হয়। পরে তারা বিয়ে করে আগৈলঝাড়ার বাকাল গ্রামে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি স্বামী তামিম শেখ রাশিদাকে মোবাইল নম্বরে কল দিয়ে গোপালগঞ্জে নিয়ে যান। ১০ মাস বয়সী শিশু তানিমকে নিয়ে গোপালগঞ্জ গেলে রাশিদাকে নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন স্বামী তামিম। পরদিন রাতে রাশিদাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে থ্রি-হুইলারে রওনা দেন। থ্রি হুইলারে ছিলেন রুবেল ও জুলহাস। পরে গোপালগঞ্জ আগৈলঝাড়া মহাসড়কের বাইপাস ব্রিজের পাশে নির্জন স্থানে শ্বাসরোধে রাশিদাকে হত্যা করেন তারা।
এ ঘটনায় রাশিদার ভাই আমিন শাহ বাদী হয়ে ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করেন। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম ২০২২ সালের ৩১ জুলাই তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন। বিচারক আটজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ এ রায় দেন।