সোমবার সকালে উপজেলার কদলপুর-রাঙ্গুনিয়া সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ উদ্ধারের পর অভিযুক্ত উমংচিং মারমাকে নিয়ে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। শিবলী সাদিক হৃদয় রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের পঞ্চপাড়া গ্রামের সাত নম্বর ওয়ার্ডের মো. শফিকের ছেলে।
স্বজনরা জানান, ২৮ আগস্ট রাতে কদলপুরের একটি মুরগির খামার থেকে অপহৃত হন হৃদয়। অপহরণের পর দাবি অনুযায়ী বান্দরবানের ডুলাপাড়া এলাকায় গিয়ে দুই লোকের হাতে দুই লাখ টাকা তুলে দেন তার বাবা। মুক্তিপণ পেয়েও হৃদয়কে ছাড়েননি অপহরণকারীরা।
.png)
রাউজান থানার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, প্রায় তিনঘণ্টা হেঁটে কদলপুর-রাঙ্গুনিয়া সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে অপহৃত হৃদয়ের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপহরণের এ ঘটনায় কয়েকদিন আগে দুইজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। রোববার উমংচিং মারমা নামে আরো একজনকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে সোমবার ভোরে অভিযানে যায় পুলিশ।
ওসি আরো বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ফেরার পথে পঞ্চপাড়া গ্রামবাসী অবরোধ সৃষ্টি করে। উত্তেজিত জনতা পুলিশের গাড়ি থেকে অভিযুক্ত উমংচিং মারমাকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।