ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মিতু হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরো ২ জন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৫২, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
মিতু হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরো ২ জন
মাহমুদা খানম মিতু -ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় আরো দুইজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালতে সাক্ষ্য দেন তারা। এ নিয়ে মামলাটিতে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হলো।

সোমবার সাক্ষ্য দেওয়া দুইজন হলেন- পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল বাদী ও উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) মো. সাহাব উদ্দীন। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী নেছার আহম্মেদ। তিনি জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

Advertisement

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ের কাছে ওআর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ঐ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন তার স্বামী তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার। মামলাটি তদন্ত করছিল নগর ডিবি পুলিশ। পরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ‘আদালতের নির্দেশে’ মামলার তদন্তভার পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এরপরই ঘুরতে থাকে মামলার গতিপ্রকৃতি। পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসতে থাকে স্ত্রী হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার নানা দিক। 

২০২১ সালের ১০ মে মামলার বাদী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুল আক্তারকে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ে ডেকে নেয়া হয়। এরপরই তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। পরে ১২ মে দুপুরে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে নগরের পাঁচলাইশ থানায় আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। 

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ঐ মামলায় বাবুল আক্তারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে দুই হাজার ৮৪ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই। ১০ অক্টোবর অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেন আদালত। চলতি বছরের ১৩ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ৯ এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি করা হয় বাবুল আক্তারকে। 

অভিযোগপত্রে আরো যাদের আসামি করা হয় তারা হলেন- কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, এহতেশামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম ওরফে কালু ও শাহজাহান মিয়া। আসামিদের মধ্যে শুধু কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা পলাতক বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!