ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মিতু হত্যা মামলার বিচার শুরু

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৩২, ৯ এপ্রিল ২০২৩
সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মিতু হত্যা মামলার বিচার শুরু
ফাইল ফটো

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাবেক এসপি বাবুল আক্তারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়েছে। রোববার চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

এদিন প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন। এ সময় বাবুল আক্তার, আনোয়ার হোসেন, শাহজাহান মিয়া ও মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম এবং জামিনে থাকা এহতেশামুল হক ভোলা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী চট্টগ্রাম মহানগর পিপি মো. আবদুর রশিদ জানান, সাক্ষ্যগ্রহণের সময় পেছানোর আবেদন জানিয়েছিল আসামিপক্ষ। পরে উভয়পক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আদেশ দেন আদালত। এরপর মামলার বাদী মোশাররফ হোসেন জবানবন্দি উপস্থাপন শুরু করেন।

Advertisement

এর আগে, গত ১৩ মার্চ বাবুলসহ সাতজনের বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। সেদিন ৯ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি আসামিদের আদালতে হাজির না করায় অভিযোগ গঠন পিছিয়েছিল। এর আগে ৩১ জানুয়ারি মামলার বিচার শুরুর নির্দেশনা দিয়ে তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে নথি পাঠানোর নির্দেশ দেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. জেবুন্নেছা বেগম।

গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর মিতু হত্যা মামলায় বাবুল আক্তারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে দুই হাজার ৮৪ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ১০ অক্টোবর অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করে আদালত। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে বাবুল আক্তার, মো. মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, শাহজাহান মিয়া ও আনোয়ার হোসেন কারাগারে রয়েছেন। জামিনে রয়েছেন এহতেশামুল হক ভোলা। এছাড়া কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা ও খায়রুল ইসলাম ওরফে কালু পলাতক রয়েছেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ের কাছে ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ঐ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন তার স্বামী তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার। মামলাটি তদন্ত করছিল নগর ডিবি পুলিশ। পরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ‘আদালতের নির্দেশে’ মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।

এরপরই ঘুরতে থাকে মামলার গতিপ্রকৃতি। পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসতে থাকে স্ত্রী হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার নানা দিক। ২০২১ সালের ১০ মে মামলার বাদী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুল আক্তারকে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। এরপরই তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। পরে ১২ মে দুপুরে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!