ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মিতু হত্যা: চলছে তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৫৯, ১০ আগস্ট ২০২৩
মিতু হত্যা: চলছে তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। 

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ফারহানা রবিউল লিজা বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষী কাজী আল মামুনকে জেরা করবেন।

এর আগে, বুধবারও একই আদালতে সাক্ষ্য দেন কাজী আল মামুন। মঙ্গলবার সাক্ষ্য দেন সাইফুল হক। তিনি বাবুল আক্তারের ব্যবসায়িক অংশীদার ও ছাত্রজীবনের বন্ধু। আর কাজী আল মামুন মিতু হত্যার আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুছার আত্মীয়।

Advertisement

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ের কাছে ওআর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন তার স্বামী তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার। মামলাটি তদন্ত করছিল নগর ডিবি পুলিশ। পরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ‘আদালতের নির্দেশে’ মামলার তদন্তভার পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এরপরই ঘুরতে থাকে মামলার গতিপ্রকৃতি। পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসতে থাকে স্ত্রী হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার নানা দিক। 

২০২১ সালের ১০ মে মামলার বাদী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুল আক্তারকে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ে ডেকে নেয়া হয়। এরপরই তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। পরে ১২ মে দুপুরে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে নগরের পাঁচলাইশ থানায় আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। 

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ওই মামলায় বাবুল আক্তারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে দুই হাজার ৮৪ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই। ১০ অক্টোবর অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেন আদালত। চলতি বছরের ১৩ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ৯ এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি করা হয় বাবুল আক্তারকে। 

অভিযোগপত্রে আরো যাদের আসামি করা হয় তারা হলেন- কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, এহতেশামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম ওরফে কালু ও শাহজাহান মিয়া। আসামিদের মধ্যে শুধু কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা পলাতক বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!