রোববার সন্ধ্যায় হেলাল মিয়ার ছয় তলা বাসার তৃতীয় তলা থেকে ঐ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত খাদিজা কালিহাতী উপজেলার দূর্গাপুরের নুরুল হকের মেয়ে।
ঐ গৃহবধূর এক প্রতিবেশী জানান, খাদেজা বেগম ও তার স্বামী রাশেদুল ইসলাম ঐ বাসায় ভাড়া থাকতেন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার খাদিজার সঙ্গে কথা বলে ঐ প্রতিবেশী গ্রামের বাড়ি চলে যান। রোববার বাসার প্রধান ফটক খোলা থাকায় বাসার মালিক তাকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চান। পরে তিনি বাসার মালিক হেলাল মিয়াকে খাদিজা ও তার স্বামী এবং ভাড়াটিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
.png)
তিনি আরো জানান, বাসার মালিক পরে খাদিজার কক্ষের সামনে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত খাদিজা বেগমের ভাই ইমাম আলী বলেন, আমার বোনকে তার আগের স্বামীর কাছ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে বিচ্ছেদ করানো হয়েছে। পরে কোনো ছেলের সঙ্গে বিয়ে বা সম্পর্ক হয়েছিল কিনা- সেটি আমার জানা নেই।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি আবু ছালাম মিয়া জানান, খবর পেয়ে খাদিজার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার দুই পায়ের রগ কাটা। এছাড়া তার মুখে কাপড় পেঁচানো এবং বালিশের চাপ দেওয়া ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।