জানা গেছে, শালিকটির সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল জান্নাতুলের। উঠতে-বসতে বলতো কথা। পাখিটি নিয়ে ঘুমাতোও সে। ছিল নিত্য সহচর। সেই পোষা পাখিটি ঘুমের সময় শরীরের নিচে চাপা পড়ে মারা যায়। সেই শোক সইতে না আত্মহত্যা করে কিশোরী জান্নাতুল। গত বুধবার খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১৩ বছর বয়সী নিহত জান্নাতুল গোপালগঞ্জ জেলার মুজিবর রহমানের মেয়ে। বাবা সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক। আর মা পোশাক কারখানার কর্মী। মেয়েকে হারিয়ে পাগলপ্রায় তারা।
.png)
পুলিশ সূত্র জানায়, জান্নাতুল ফেরদৌস একটি শালিক পাখি পোষে। পাখিটি কথাও বলতে পারতো। মঙ্গলবার রাতে পাখিটি নিয়ে ঘুমিয়েছিল জান্নাতুল। এ সময় তার শরীরের নিচে চাপা পড়ে পাখিটি মারা যায়। এতে ভীষণ কষ্ট পায় জান্নাত।
খুলশী থানার এসআই নুরুল আলম জানান, পোষা শালিক হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে মেয়েটি। বুধবার ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মেয়েটি আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।