তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনব এই সমাধান নিয়ে অনেকে হাস্যরস করেছেন। তারা বলেছেন, ফ্যান পরিবর্তন নয়, বরং মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়া উচিত প্রশাসনের।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের মাঝে আত্মহত্যার ঘটনা কমিয়ে আনতে কোটার সব হোস্টেল ও পেয়িং গেস্ট (পিজি) আবাসনে স্প্রিং লাগানো ফ্যান বসানো হচ্ছে।
.png)
চলতি বছরের এখন পর্যন্ত রাজস্থানের এই শহরটিতে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রাতে কোটার একটি ভাড়া বাসায় ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এ নিয়ে কেবল চলতি মাসেই কোটায় চারজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুজন দেশটির বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অপরজন এনইইটি-ইউজি ভর্তি পরীক্ষার্থী ছিলেন। এই শিক্ষার্থীদের সবাই ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিংয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
গত বছর রাজস্থানের এই কোচিং হাবে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। কোটার স্থানীয় প্রশাসন জেলায় শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ক্রমবর্ধমান ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ক্রমবর্ধমান আত্মহত্যার বিষয়ে হাইকোর্টের জারি করা নির্দেশিকা অনুসরণ করে জেলা প্রশাসন কোটায় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারে মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিংয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি