সোমবার ২টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
ঐ ছাত্রীর মামা আকাশ বলেন, আমার ভাগনে শহীদ স্মৃতি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার আগের থেকেই একটু মানসিক সমস্যা ছিল। আজ দুপুরে আমার বোন তার ছোট মেয়ে জান্নাতকে নিয়ে সেলুনে চুল কাটাতে যায়। পরে বাইরে থেকে এসে দেখে মেঘা নিজের রুমে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে রয়েছে। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
তিনি বলেন, মেঘার বাবা মো. হানিফ সৌদি প্রবাসী। তিন বোনের মধ্যে সে ছিল সবার বড়। তাদের বাসা ওয়ারী থানার ২৩/১ তাহেরবাগ এলাকায়। তবে কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে, তা এখনো জানতে পারিনি।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি আমরা ওয়ারী থানাকে জানিয়েছি।