সোমবার তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের উপ-পরিচালক আবু নোমান মো. জাকির হোসেন।
.png)
আটককৃত রোহিঙ্গা হলেন- মো. ইসমাইল। তিনি উখিয়ার বালুখালী এলাকার ইলিয়াসের ছেলে। ইসমাইল বরিশালের কাজিরহাট থানার শ্যামেরহাটের কসবা এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছেন। জাতীয় পরিচয়পত্রে ইসমাইল নিজের নাম মো. রাফি ও বাবা ছাদের আলী বেপারী উল্লেখ করেছেন।
রোহিঙ্গা ইসমাইলকে সহায়তার অভিযোগে আটককৃত অন্য দুজন হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের কাজীরহাট থানার শহিদুল ইসলাম ও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার হোসাইন।
উপপরিচালক আবু নোমান মো. জাকির হোসেন বলেন, দালাল চক্রের মাধ্যমে ইসমাইল বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছে। ঐ জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে তারা পাসপোর্ট করতে আসে। সন্দেহ হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এতে ইসমাইল মিয়ানমারের নাগরিক বলে স্বীকার করে।
বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ওসি হেলাল উদ্দিন বলেন, ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে পাসপোর্ট করার সময় রোহিঙ্গাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।