জানা গেছে, সৈয়দ আলম এবং ছিদ্দিক আহমদ নামে দুই রোহিঙ্গা গোপনে বাংলাদেশি এনআইডি কার্ড তৈরি করেন। পরে এ কার্ড ব্যবহার করে ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ নিয়েছেন। এমনকি তারা প্রতারণার মাধ্যমে ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘরের জন্যও আবেদন করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রোহিঙ্গা ছিদ্দিক আহমদ জানান, তারা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসেছেন প্রায় ১৮ বছর আগে। এরপর চকরিয়ার ঠিকানা ব্যবহার করে বাংলাদেশি এনআইডি কার্ড করেছেন।
.png)
রোহিঙ্গা ছৈয়দ আলম জানান, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসার পর টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দা পরিচয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ নিয়েছেন।
সম্প্রতি ছৈয়দ আলম তার দুই নাতির জন্ম নিবন্ধন সনদ করার জন্য হ্নীলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের (ইউপি) সদস্য বেলাল উদ্দিনের কাছে স্বাক্ষর নিতে যান। এ সময় তারা যে রোহিঙ্গা সে বিষয়টি উঠে আসে। পরে ইউপি সদস্য বেলাল উদ্দিন এ রোহিঙ্গা পরিবারের জন্ম সনদ বাতিলের জন্য হ্নীলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বরাবর আবেদন করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বেলাল উদ্দিন বলেন, আমার ওয়ার্ড এলাকায় বসবাসরত ছিদ্দিক আহমদ ও ছৈয়দ আলম যে রোহিঙ্গা, তা নিজেরাই স্বীকার করেছেন। এ জন্য তাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ বাতিলের জন্য চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেছি।
টেকনাফের উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।