উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বলেন, সশস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের অস্থিরতা ক্যাম্পের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ছে। তাদের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারাও ঝুঁকিতে রয়েছে। শিগগিরই সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে নিয়ন্ত্রণে না আনলে অপহরণ, হত্যা, মাদকের মতো অপরাধ আরো বিস্তৃত হবে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চলমান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে মিয়ানমারের পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে। এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মিয়ানমার থেকে মাদক আনাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। তাদের মূল উদ্দেশ্য ক্যাম্পে অস্থিরতা সৃষ্টি করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঠেকানো।
.png)
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) কমপক্ষে ৫০০-৬০০ সদস্য সক্রিয় রয়েছে। তারা পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অস্ত্র এনে ক্যাম্পে অপহরণ, হত্যাসহ নানা অপরাধ করছে।
তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসীদের শনাক্ত, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র উদ্ধারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত। এরই মধ্যে অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। শিগগিরই বাকিরাও ধরা পড়বে।