শুক্র ও শনিবার প্রচুর পর্যটক আসবে বলে জানিয়েছেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা। এই দুই দিন ৭০-৭৫ শতাংশ রুম অগ্রিম বুকিং রয়েছে। এ সময়ে যারা আসছেন তারা পাবেন ৫০-৬০ শতাংশ ছাড়।
বৃহস্পতিবার সারা দিনে সৈকতের কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত ৫ কিলোমিটারে সৈকতে অনেক পর্যটক নামতে দেখা গেছে। তার মধ্যে স্থানীয় লোকজনও রয়েছেন।
.png)
হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিকরা জানান, শুক্রবার থেকে ব্যস্ততম নগরীতে রূপ ধারণ করতে পারে পর্যটন নগরী কক্সবাজার।
ঈদের ছুটি কাজে লাগাতে ঢাকা থেকে সুমলপাল নামে এক অধ্যাপক এসেছেন ঈদের দুই দিন আগে সপরিবারে কক্সবাজার। থাকবেন আরো দুই দিন। তার মতো অসংখ্য পর্যটক সমুদ্র সৈকতে দেখা মিলেছে।
ঈদুল আজহার ছুটিতে পর্যটকদের আকর্ষণ করতে হোটেল-মোটেল মালিকরা কক্ষভাড়ার বিপরীতে সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় ঘোষণা করছেন। যা লুফে নিতে অনেকে কক্সবাজার আসছেন বলে মনে করছেন হোটেল ব্যবসায়ী নেতা আবদুর রহমান।
রয়েল টিউলিপের এজিএম নাবিদ চৌধুরী বলেন, আমাদের হোটেলে শুক্রবার থেকে টানা তিন দিন ৮০ শতাংশ রুম বুকিং হয়ে আছে। অনলাইন-অফনলাইনে বেশ সাড়া পাচ্ছি আমরা।
এদিকে বর্ষা মৌসুমে উত্তাল সাগরের কথা মাথায় রেখে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় ৩টি পয়েন্টে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য প্রস্তুত লাইফগার্ড কর্মীরা।
সি-সেইফ লাইফ গার্ডের ইনচার্জ জয়নাল আবেদীন ভুট্টু বলেন, কক্সবাজার কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। পশ্চিম বঙ্গপোসাগরে সৃষ্টি হাওয়া লঘু চাপের কারণে সাগর উত্তাল। তারপর সবকিছু মাথায় রেখে আমরা প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। সমুদ্রসৈকতে যে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট রয়েছে সেখানে আমাদের ওয়াচ টাওয়ারে পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হবে।
টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা প্রস্তুত। কক্সবাজার যেসব পর্যটক কেন্দ্র আছে সেখানে আমাদের টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি পয়েন্ট আমাদের টুরিস্ট পুলিশের হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হবে, পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হবে।