শুক্রবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। সর্বমোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০৯০ জন। পাশ করেছে ১ হাজার ২৫৫ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পাশের হার এবং জিপিএ-৫ অনেক কমেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সনের এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলার ১৬টি স্কুল থেকে ১৭১৭ জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে পাশ করেছে ৯৬৭ জন। গড় পাশের হার ৫৬.৩২। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ জন। উপজেলার ৬টি মাদরাসা থেকে সর্বমোট ২৫৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ১৮৮ জন। এরমধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। শতকরা পাশের হার ৭২.৮৭।
.png)
এছাড়া উপজেলার একটি ভোকেশনাল টেক্সটাইল স্কুল থেকে ১১৫ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০০ জন পাশ করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন। গড় পাশের হার ৮৫.১৬। উপজেলার ১৬টি স্কুলের মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে পৌর শহরের নাছরিন নবী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও ছতুরা চান্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯ জন, বাংলাদেশ রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, মোগড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, তুলাইশিমুল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬ জন, দেবগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ২ আমোদাবাদ ২ জন, কর্মমঠ ১ জন রয়েছে। তাছাড়া মাদরাসাতু সাহেলা খাতুন দাখিল মাদরাসা ২, রানীখার সৈয়দ এমদাদুলবারী গাউছিয়া আলিম মাদরাসা থেকে ১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মো. কফিল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ফলাফল কিছুটা খারাপ হয়েছে। তবে কেন এ অবস্থা হয়েছে আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।