মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, সোমবার বিকেলে ওই উপজেলার আলতাবনগর রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- দুপচাঁচিয়া উপজেলার পলিপাড়া গ্রামের ২৩ বছরের নাদিম হোসেন ওরফে নাজিম ও একই গ্রামের ২৪ বছরের রুবেল ফকির।
.png)
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) রাতে দুপচাঁচিয়ার চৌমুহনী বাজার এলাকায় অটোভ্যান নিয়ে অবস্থান করছিলেন চালক মুমিনুর ইসলাম বাবু। ঐদিন রাত ১১টার দিকে যাত্রীবেশে তার ভ্যানে তিন যুবক উঠেন। তারা প্রথমে জেলার আদমদীঘি উপজেলায় যেতে চাইলেও ভ্যানচালক বাবু রাজি হননি। ফলে তারা বাবুর ভ্যানে করেই দুপচাঁচিয়া সিও অফিস মোড়ে যাচ্ছিলেন। পথে চৌমুহনীর তৌসিফ ফিলিং স্টেশন এলাকায় দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাবুকে মারধর করে ভ্যান ছিনতাই করেন তারা। একইসঙ্গে বাবুর ব্যবহৃত মুঠোফোনও ছিনিয়ে নেয়া হয়। ওই সময় বাবুর পরনে থাকা লুঙ্গি-টিশার্ট দিয়েই তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা হয়।
এছাড়াও তিন যুবকের মধ্যে একজনের টিশার্ট ছিঁড়ে বাবুকে বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হয়। যাত্রীর বেশে থাকা তিন যুবক ভ্যান ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয়রা বাবুকে উদ্ধার করেন। একইসঙ্গে পুলিশের সহযোগিতায় বাবুর ভ্যানটি খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চৌমুহনী বাজার থেকে ছিনতাই হওয়া ভ্যান উদ্ধার করা হয়। এ সময় ছিনতাই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৬ বছরের আলমগীর হোসেন আলম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি দুপচাঁচিয়ার খিহালী উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে দুপচাঁচিয়া থানার ওসি মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, গ্রেফতারকৃত দু’জনের কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মুঠোফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।