গ্রেফতারকৃতরা হলো- ফরিদ হোসেন, আলফাজ ও মোহাম্মদ হোসেন। রোববার সন্ধ্যায় মিরপুর টেকনিক্যাল ও মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
মিরপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন জানান, গ্রেফতার তিনজনই ঢাকার রিকশা ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। ফরিদ তাদের হোতা। সে নিজেও রিকশাচালক ছিল। পাঁচ বছর আগে প্রথম রিকশা ছিনতাই করে সে। পরে নিজেই গ্রুপ বানিয়ে ছিনতাই করা শুরু করে।
.png)

তিনি আরো জানান, ছিনতাইয়ের সুবিধার্থে একটি মোটরসাইকেলও কেনে তারা। এ মোটরসাইকেলে চড়েই টার্গেট ঠিক করে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দুইজন সেই রিকশা চালকের কাছে যায়। এরপর কিছু মালামাল নির্দিষ্ট গন্তব্যে নেয়ার জন্য ভাড়া করে। মালামাল তোলার সময় যখন চালক একটু অন্যমনস্ক হয় কিংবা কিছু দূরে যায় তখন সে দুইজন রিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়। চালক এসে রিকশা খুঁজলে তখন মোটরসাইকেলে বসা অপরজন এসে তাকে উল্টো রাস্তা দেখিয়ে দেয়।
ওসি জানান, গত ১৫ জুলাই চক্রের দুইজন দক্ষিণ পীরেরবাগ থেকে মিরপুর যাওয়ার কথা বলে রিকশা ভাড়া করে। পরে রিকশা কিছুদূর যাওয়ার পর মোটরসাইকেল আরোহীসহ এসে তাকে মালামাল এই শো-রুমের বলে আলাদা স্থানে নিয়ে যায়। এরপর প্রথমে ছুরি দেখিয়ে ভয় দেখায়, পরে মারধর করে রিকশা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা হলে রোববার টেকনিক্যাল এলাকা থেকে ফরিদ ও আলফাজকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে মোহাম্মদপুর থানার ঢাকা উদ্যান থেকে গ্রেফতার করা হয় হোসেনকে। উদ্ধার করা হয় ছিনতাই করা রিকশাটি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ পর্যন্ত শতাধিক রিকশা ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছে ফরিদ। তার বিরুদ্ধে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন থানায় ৪টি মামলা রয়েছে।