মঙ্গলবার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় দেন। জরিমানার সেই টাকা ভুক্তভোগী ঐ গৃহবধূকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
অভিযুক্ত আতাউর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আতাউর পলাতক রয়েছেন।
.png)
জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি আনিছুর রহমান বলেন, ঐ গৃহবধূ ২০০৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বাড়ির পাশে আখক্ষেতে যান। এ সময় আতাউর ঐ গৃহবধূর গলায় হাঁসুয়া ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ৪ অক্টোবর আতাউরকে অভিযুক্ত করে লালপুর থানায় মামলা করেন।
পুলিশ ঐ বছরের ৩০ নভেম্বর আতাউরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আজ এ রায় দেন।