মৃত রাশেদা বেগম ওই এলাকার নুরুল ইসলামের স্ত্রী।
স্বজনরা জানান, রাশেদা বেগমের দুই মেয়ে রয়েছে। দু’জনকেই বিয়ে দিয়েছেন। তারা শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। আর স্বামী শহরে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কাজ করেন। তাই রাশেদা বেগম বাড়িতে একাই ছিলেন। শনিবার রাত ৯টার দিকে স্বজনদের সঙ্গে ফোনে তার শেষ কথা হয়।
.png)
বাঁশখালী থানার এসআই রাজিব চন্দ্র পোদ্দার বলেন, ধারণা করা হচ্ছে- শনিবার রাতেই তাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। বাসার দরজা খোলা ছিল। প্রতিবেশীদের বাড়ি একটু দূরে হওয়ায় শনিবার রাত থেকে রোববার দিনভর বিষয়টি কারো নজরে আসেনি। রোববার রাতে খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।