নিহত আব্দুর রহমান মেহেরপুর সদর উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী শোলমারী গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পেশায় একজন বিদ্যুৎচালিত ইজিবাইকচালক ছিলেন।
রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার সময় শহরের আবাসিক হোটেল এজাজ প্লাজার চতুর্থ তলার ৪০২নং কক্ষ থেকে তার গলাকাটা অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। দুর্বৃত্তরা তাকে হাত-পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করেছে। নিহত আব্দুর রহমানের ভাগ্নে আনোয়ার হোসেন তার লাশ শনাক্ত করেন।
.png)
আনোয়ার হোসেন জানান, গত শুক্রবার রাতে মামা ভাত খেতে বসেছিলেন। এ সময় তাকে কে বা কারা ফোনে ডাক দেন। তিনি ভাত রেখে তাদের সঙ্গে চলে আসেন। তারপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। আমরা তাকে খুঁজতে বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করি। আজ বিভিন্ন মারফতে আমরা জানতে পারি হোটেল এজাজে একটি লাশ আছে। আমরা এসেই মামার লাশ দেখেছি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মেহেরপুর সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে হোটেল এজাজ প্লাজার মালিক ঝন্টু মিয়াকে প্রাথমিকভাবে থানায় নেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, হোটেল এজাজ প্লাজা আবাসিক হোটেল চালানোর জন্য বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। এখানে একজন ম্যানেজারও নেই। পাঁচতলা ভবনের এ অবৈধ হোটেলটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে সিসি ক্যামেরাও নেই। হোটেল মালিক অবৈধভাবে দীর্ঘদিন যাবত এই হোটেলটি চালিয়ে আসলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো নজরদারি রাখা হয়নি।