শনিবার ভোরে উপজেলার টঙ্গীর পাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত বাদশা (২৮) একই এলাকার কামালের ছেলে। এছাড়া এ ঘটনায় আবদুর রব আবুল (৪০) নামে আরো এক আসামিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি ১৬৪ ধারায় হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পর পলাতক বাদশা শনিবার ভোরে তার বাড়িতে আসেন। পরে বাড়ি থেকে বের হয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় বাদশাকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
.png)
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, স্থানীয়রা তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। আহত বাদশাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, গত ১০ জুন সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ রাজগঞ্জ ইউনিয়নের টঙ্গীর পাড় গ্রাম থেকে মাছ ব্যবসায়ী দুলাল চন্দ্র দাসের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত দুলাল চন্দ্র দাস ঐ গ্রামের পরেশ চন্দ্রা দাসের ছেলে। এর আগের দিন রাতের কোনো এক সময় ঐ গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে চেয়ারে বসা অবস্থায় দুলালকে গলাকেটে হত্যা করা হয়।