সোমবার রাতে নিখোঁজের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু তালেব।
নিখোঁজ দুর্লভ রাণী দাসের স্বামী রথীন্দ্র দাসের বরাত দিয়ে ইউএনও জানান, ঢলের পানিতে মা ও দুই সন্তানের ভেসে যাওয়ার ঘটনা জানাজানি হলে রথীন্দ্র দাস নিজের ঘরে গিয়ে স্ত্রী ও বাচ্চাকে পাননি। তিনি এসে জানিয়েছেন নিখোঁজ নারী তার স্ত্রী ও শিশুরা তার সন্তান।
.png)
প্রসঙ্গত, সোমবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সুনামগঞ্জের শাল্লা সরকারি কলেজ-সংলগ্ন সেতুর নিচে ঢলের পানির স্রোতে দুই শিশু সন্তানসহ এক নারীর নিখোঁজ হন। তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন শাল্লা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছিলেন, সন্ধ্যায় শাল্লা সরকারি কলেজের পাশের সেতুর নিচ দিয়ে বাহারা ইউনিয়ন থেকে সড়ক পথে শাল্লা সদরে আসছিলেন মা ও তার দুই সন্তান। এ সময় সেতুর নিচে ভাঙা অংশ পারাপারের সময় ঢলের স্রোতে ভেসে যান তারা।