এর আগে, গত মধ্যরাতেই কাঙ্খিত বৃষ্টির দেখা পাওয়া যায়। তবে কয়েক ফোটা পড়তেই বৃষ্টি থেমে গিয়েছিল কিছু সময়ের জন্য। এরপরে আজ ভোর পর্যন্ত কয়েক দফায় হালকা বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এর আগে গত কয়েকদিন ধরে বগুড়ায় ছিল তীব্র দাবদাহ।
.png)
ঐদিনগুলোতে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রচণ্ড গরমে শহরের বিভিন্ন বন্দরে অনেক চায়ের দোকান দুপুরে বন্ধ রাখা হয়। এই গরমে দোকান পুরোপুরি বন্ধ রাখার ইচ্ছা থাকলেও জীবিকার তাগিদে তা করা হয় না বলে জানান কিছু চা দোকানি। এছাড়াও শহরের মুদি দোকান থেকে শুরু করে ছোটবোড় দোকানগুলো দুপুর ২টা থেকে বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। রোদের তীব্র প্রবাহ বন্ধ হলে বিকেল থেকে একে একে খোলা হয় দোকানগুলো।
শহরের বনানী ও ফুলতলা এলাকার চা দোকানিরা বলেন, অসহ্য গরমে দোকানে থাকা যায় না। দোকানে লোকজনও কম আসেন। এ কারণে দুপুরে দোকান বন্ধ করে রাখা হয়। আজ তাপমাত্রা কমেছে। সকাল থেকেই অনেক লোকজন দোকানে এসে চা খাচ্ছেন, আড্ডা দিচ্ছেন। এতে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস বলছে, গত কয়েকদিনের তুলনায় তাপমাত্রা কমেছে। আজ দুপুর পর্যন্ত বগুড়ার তাপমাত্রা ২৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে।
তীব্র দাবদাহে বিপাকে পড়েছিলেন মূলত বয়স্ক এবং শিশুরা। অনেকেরই শুরু হয়েছিলো সর্দিকাশি এবং শ্বাসকষ্ট। আবহাওয়া শীতল হওয়ায় হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন তারা। দীর্ঘদিন তাপ প্রবাহের যন্ত্রণা সহ্যের পর হঠাৎ করেই বৃষ্টির দেখা পাওয়ায় আনন্দে ভরে উঠেছে শহরের বাসিন্দাদের মন।
শহরের ফুলতলার বাসিন্দা দুলু প্রামাণিক বলেন, গরমে গা ঘামতে ঘামতে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। কয়েকদিন ধরে খুব কষ্টে দিনাতিপাত করেছি আর আল্লাহর কাছে বৃষ্টি কামনা করেছি।
শহরের খান্দার এলাকার বাসিন্দা রাকিব হাসান বলেন, কয়েকদিনের প্রচণ্ড গরমে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। ঘরে-বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি। আজ সকাল থেকে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে গরম কমেছে। অনেক ভালো লাগছে।
জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদফতরের বগুড়া কার্যালয়ের সিনিয়র পর্যবেক্ষক আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আজ বগুড়ায় ঝড় হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হবে।