বুধবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, টিনশেডের আধাপাকা বাড়িটি ইটের প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। বাড়ির পেছনের প্রবেশপথের দরজা ভাঙা। বাড়ির বারান্দার গ্রিলের তালা ও একটি কক্ষের দরজার ছিটকিনি ভাঙা। দুটি কক্ষের মালামাল অগোছালো অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ডাকাতির খবর শুনে দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক জনতা ভিড় করছেন।
বাড়ির মালিক আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছা. শিউলি খাতুন বলেন, তখন রাত আনুমানিক তিনটা বাজে। আমি সন্তানদের নিয়ে ঘুমাচ্ছিলাম। এ সময় ডাকাতরা আমার গলায় থাকা স্বর্ণের চেন ধরে টান দিলে ঘুম ভেঙে যায়। ঘুম ভেঙেই দেখতে পাই ৬ জন লোক। তাদের মধ্যে চারজনের মুখ বাঁধা, তিনজনের হাতে পিস্তল এবং আর অন্যদের হাতে সাবল ( দেশীয় অস্ত্র) চাকু।
.png)
তিনি আরো বলেন, ডাকাতরা আমার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে চুপচাপ থাকতে বলেন। তাদের কথামতো ভয়ে সন্তানদের নিয়ে অস্ত্রের মুখে চুপচাপ ছিলাম।
তার ভাষ্য মতে, ডাকাতরা তার বাড়িতে প্রায় আধাঘণ্টা ধরে ডাকাতি করেন। তার একটি স্বর্ণের চেন, একটি আংটি, এক জোড়া দুল, দুইটি মোবাইল ও নগদ সাত হাজার টাকা নিয়ে গেছেন।
স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন পরে তার ইউনিয়নসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। সবগুলো ডাকাতি একই স্টাইলে হচ্ছে। কোনো একটি চক্র সংঘবদ্ধভাবে এ অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এতে মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কুমারখালী থানার এসআই বিলকিস খাতুন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।