জানা গেছে, গত ১৫ মে মাগরিবের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে শিশু আদিল মোহাম্মদ সোহান নিখোঁজ হয়। পরে তার বাবা আনোয়ার হোসেন পরদিন থানায় জিডি করেন। নিখোঁজের ৪ দিন পর গত ১৯ মে সকালে বাড়ির পাশের একটি জমি থেকে মাটিচাপা অবস্থায় সোহানের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে ঐ দিনই সোহানের বাবা আনোয়ার হোসেন হত্যা মামলা দায়ের করেন।
.png)
বুধবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ জানান, পুলিশের সমন্বিত একটি টিম চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাটির রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ভিকটিমের গৃহশিক্ষক মো. আবদুল আহাদকে গ্রেফতারপূর্বক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি হত্যার কথা শিকার করেন।
পুলিশের কাছে ঐ গৃহশিক্ষক জানান, তার পরিবার অভাবি পরিবার ছিল। শিশু সোহানের পরিবারের কাছে ২৫-২৬ হাজার টাকা জমানো ছিল। এই বিষয়টি ঐ গৃহশিক্ষক জানতেন। মূলত ভারতের সিআইডি সিরিয়াল দেখে মুক্তিপণের টাকা জন্য সোহানকে অজ্ঞান করে লুকিয়ে রাখেন তিনি। কিন্তু তিনি সিআইডিতে দেখেছে কাউকে ৪০ সেকেন্ড নাকে চেপে ধরে রাখলে মরবে না কিন্তু সে অজ্ঞান থাকবে। তবে দুর্ভাগ্যবশত টাইম কিংবা ধরতে সমস্যা হওয়ায় শিশু সোহান তাৎক্ষণিক সেখানে মারা যায়।
পুলিশ সুপার আরো জানান, গৃহশিক্ষক আহাদ গ্রেফতার করা হয়েছে আহাদের মায়ের ফোন ব্যবহার করে অন্য একটি সিম ব্যবহার করার সূত্র ধরে। এছাড়া তার আচার-আচরণও সন্দেহজনক হয়েছিল। পুলিশের প্রথম থেকেই ধারণা ছিল, হত্যার পেছনে দূরের কোনো ব্যক্তির হাত নেই। এখানে কাছের কেউ হত্যার সঙ্গে জড়িত।