সারা দেশের ন্যায় লক্ষ্মীপুরেও তীব্র তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সব পেশার মানুষ। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি খেটে খাওয়া মানুষের। তীব্র গরমে ক্লান্ত হয়ে মসজিদে অবস্থান নিচ্ছেন শতশত মানুষ। এ যেন তীব্রতা তাপদাহে মসজিদই একমাত্র ভরসা।
লক্ষ্মীপুর শহরের বেশ কয়েকটি মসজিদে গিয়ে দেখা যায়, হাঁসফাঁস করে মানুষ ক্লান্ত হয়ে মসজিদে শুয়ে আছেন। রোদ থেকে ছুটে এসে গাদাগাদি করে মসজিদের মেঝেতে শুয়ে আছে সবাই। প্রচণ্ড গরমের কারণে কাজ করতে পারছে না শ্রমিকরা। ফুটপাতের বেচাকেনা চলছে মন্দা। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ অটোরিকশার শ্রমিকরা।
.png)
লক্ষ্মীপুরে বুধবারের তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। প্রচণ্ড গরমে নাকাল সব বয়সি মানুষ। তীব্র গরমে দেখা দিয়েছে নানা শারীরিক সমস্যা। জরুরি কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। আবহাওয়ার এ বৈরীতায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ঈদের বাজারেও পড়েছে বিরূপ প্রভাব। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে রোজাদারসহ নিম্ন আয়ের মানুষ।
ক্লান্ত চেহারা নিয়ে শ্রমিকরা বলেন, কাজের ও গরমে অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠছি। প্রচণ্ড রকম ঘেমে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি। কাজ করতে পারছি না। তাই ছায়ায় আরাম নিচ্ছি।
এদিকে, সপ্তাহজুড়ে অসম বৃষ্টির পর হঠাৎ করেই রোদের তীব্র তাপে জমির গাছ ঝিমিয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে ঝড়ে পড়ছে আম।
লক্ষ্মীপুরের আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আগামী দুদিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। বর্ধিত পাঁচদিনে তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে।