পরিবারের সকলের কেনাকাটায় অনেকটাই নেতৃত্ব দিচ্ছেন নারী ক্রেতারা। যেখানে দেখা যায় একজন পুরুষ ক্রেতার তুলনায় নারী ক্রেতা অন্তত ৫ জন। অর্থাৎ শতকরা ৯৯ ভাগ নারীদের উপস্থিতি বেশি। শহরের অলিগলি শপিংমলগুলোতে উপচে পড়া ভিড় নারীদের। তাদের পছন্দ মতো জামা কিনছেন তারা। সঙ্গে ছোট ভাই বোনদের জন্যেও কিনছেন।
জেলা শহরের মসজিদ মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, কাপড়ের দোকানগুলোতে নারীদের ভিড়। ছোট বড় সকল বয়সী নারী কেউ পছন্দ করছেন, কেউ কিনছেন আবার কেউ দরদাম করে অনত্রে খুঁজছেন। পাশেই কসমেটিক দোকান, সেখানেও একই অবস্থা। নারীদের উপস্থিতি চোখের পড়ার মতো। যদিও কসমেটিক দোকান নারীদের ভূষণ। কমতি নেই জুয়েলারি দোকানেও। সেখানেও দেখা যায় দল বেধে জুয়েলারি দেখছেন তরুণীরা।
.png)

ঈদ বাজার করতে আসা নারী ক্রেতা নাজু বলেন, নিজের, মেয়ে, মা এবং ছোট বোনের জন্য জামা কিনেছি। সবাই একসঙ্গে নিজ নিজ জামা পছন্দ করে কিনেছি। শুধু তাই নয়, ছেলে ও স্বামীর জন্যও নিজে পছন্দ করে শার্ট পাঞ্জাবী কিনেছেন নাজু।
নাজুর মেয়ে নুহা বলেন, মায়ের সঙ্গে ঈদ শপিং করতে এসেছি। নিজের পছন্দ আর মায়ের পছন্দ এক হবে না। তাই নিজ দায়িত্বে চলে এসেছি। বেশ কয়েকটি কসমেটিকও কিনেছি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের সময় ভালো বেচাকেনা হয়। তবে নারী ক্রেতা সবচেয়ে বেশি। পুরুষরা রাতে কিছু হয়। তারা বলছেন, পুরুষরা একদামে কিনে কিংবা একবার দরদাম করে। কিন্তু নারীদের সঙ্গে একাধিকবার দরদাম করতে হয়। এতে প্রচুর সময় নষ্ট হয়। যদিও নারীদের নিকট বিক্রি ভালো হয় বলেও জানান তারা।
লক্ষ্মীপুর বনিক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি বলেন, নারীদের পছন্দ ভালো। তাই তারা ঈদের শপিং করছেন। পরিবারের প্রধান যিনি তথা স্বামী কিংবা বাবা, তারাও নারীদের পছন্দকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাই লক্ষ্মীপুর শহরে নারী ক্রেতার সংখ্যা বেশি। কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই নারীরা তাদের পছন্দের জামা কাপড় কিনছেন। আমাদের প্রতিটি মার্কেটে নিরাপত্তার বলয় আছে যেন কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।